HUMAN PEACE
  • Home
  • Life & Philosophy
  • Islamic posting on my Facebook account
  • Dialogue with a Priest
    • Dialogue with a priest-Part-3
    • Dialogue with a priest-part-4
    • Free download
  • Comparative Theology
    • Islam >
      • EID UL ADHA – THE FEAST OF EVERGREEN SACRIFICE!
      • EVILS OF FALSE WITNESSING
      • HOW MUCH DO WE ENJOY?
      • THE SCAR OF REVERING PIETY
      • UNCERTAIN THESE MOMENTS!
      • EID – THE DAY OF GREATNESS
      • DEBT IS AN OBLIGATION!
      • টেলিভিশন বিজ্ঞাপনগুলো কী শিক্ষা দিচ্ছে?
    • Christianity >
      • Christian beliefs
    • Hinduism >
      • Hindu Beliefs
      • Nine Beliefs of Hinduism
      • Hindu Scripture
      • Christian Response to Hinduism
    • Buddhism
  • HEALTH
    • Diseases Caused by Smoking
    • Effects of Smoking during Pregnancy
    • Harmful Health Effects Of Smoking
    • Side Effects of Smoking Cigars
    • Effects of Smoking on the Skin
    • Short & Long-Term Effects of Smoking
  • Story
    • অণুগল্পঃ জীবন যেখানে যেমন
  • Bangla Poem
    • মূল পাতা
    • খ্যাতিমান কবিদের কবিতা
    • নির্বাচিত কবিতা
  • welsh-studios

Story

Welcome


Hello everyone!!! Don't you like stories??? Here are some stories for the story-fans. Read it and have fun. You will get more stories continuously. Stay with us to get more fascinating stories..............

একটি অন্যরকম অণুগল্পঃ নীলা আর আমি 

আজ সকাল থেকেই আকাশটা মুখ ভার করে গুড় গুড় শব্দে ডাকছে। নীলা ভেবেছে এই বুঝি বৃষ্টি নামলো, তাই ভার্সিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস থাকা সত্ত্বেও সে গেলো না। বরং বাদলা দিনে কাঁথা মুড়ি দিয়ে বিছানাতে শুয়ে রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনার আয়োজন করতে লাগলো। শেষ পর্যন্ত যখন দুপুর হয়ে এলো, কিন্তু বারি পাত আর হলো না, নীলা খুব বিরক্ত হয়ে উঠলো। বিরক্তভাব কাটানোর জন্যই ঠিক করলো এখন এই আবহাওয়ার মধ্যে নাফিসার বাসায় যাবে। দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবী জমিয়ে আড্ডা দিবে।

নাফিসাকে ফোন দিয়ে দুপুরে কোনো রকমে কিছু মুখে দিয়েই নীলা বাসা থেকে বের হয়ে এলো। সামনের মোড় থেকে মিটারের ভাড়ার চাইতে দ্বিগুন টাকায় সিএনজিতে করে যখন প্রধান সড়কের পাশে নাফিসার বাসার সামনে আসলো, তখনই মুষলধারে বৃষ্টি নামলো।

প্রায় ভিজা অবস্থায় নীলা নাফিসার বাসায় ঢুকেই আমাকে দেখে মনে হলো ভুত দেখার মতো চমকে উঠেছে। আমি নিয়াজ, নাফিসার খালাতো ভাই। আমি আর নাফিসা ছয় মাসের বড়ো-ছোটো, তুই-তোকারি সম্পর্ক। নাফিসা আর নীলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাতে পড়ছে আর আমি নামের আগে ডাক্তার শব্দ বসানোর জন্য প্রানান্তকর চেষ্টা করে যাচ্ছি, থাকি মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে। নাফিসার সাথে নীলার বন্ধুত্ব সেই স্কুল থেকে । ওরা দুইজনেই একই স্কুল, এরপর একই কলেজ এবং এখন একই ভার্সিটিতে একই সাবজেক্টে পড়ছে। বন্ধু বলে একেই!

নাফিসার খালাতো ভাই হবার সুবাদে নীলার সাথে আমারো সেই আদিকাল থেকেই পরিচয়। নাফিসার অগোচরে নীলার সাথে সেই পরিচয় থেকে পরিণয় কখন যে শুরু হয়েছে, তা আমি নিজেও ভুলে গেছি। নীলা জানে না, আমার সাথে ওর সম্পর্কের কথাটা আমি যে নাফিসাকে বলেছি। ও চায় নি নাফিসা আমাদের সম্পর্কের কথাটা জানুক। মেয়েরা পারেও বটে! খুব ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে না জানিয়ে তার খালাতো ভাইয়ের সাথে প্রেম করা!

গত দুই দিন ধরে নীলার সাথে আমার ঝগড়া চলছে, সামান্য একটা ব্যাপার নিয়ে। গত দুইদিন আগে ওর সাথে দেখা করতে আমি একটু দেরি করেছি। কেনো আমি দেরি করেছি, এটাই আমার অপরাধ। তাই, নীলা এই দুইদিন আমার ফোন রিসিভ করছে না, সেও ফোন করছে না। আমি নাফিসাকে বলে রেখেছিলাম নীলা ওদের বাসায় যখনই আসবে, আমাকে যেনো খবর দেয়। নাফিসা একটু আগে আমাকে খবর দিয়েছিলো।

আমি যখন নাফিসার বাসায় এলাম, তখনই আমার ছোট বোনের বর আমাকে ফোন দিলেন,“ভাইয়া, ডাক্তার বলছে রিদিতার সিজার করতে হবে এখন। আপনার সময় থাকলে কি আপনি একটু আসতে পারবেন?” আমি এখনও ডাক্তার না হলেও, পরিবারের একমাত্র মেডিকেল পড়ুয়া ছেলে হিসেবে যে কোনো হাসপাতাল সংক্রান্ত কাজে আমার ডাক পড়বেই। আমার বোন রিদিতার সিজারের তারিখ যে আজকেই পরবে, কে যে ভেবেছিলো! এদিকে বাইরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আমি বিষণ্ণমনে নাফিসার বাসা থেকে বের হবার সময়ই নীলা এলো। ওর চমকে যাওয়া প্রশ্নবোধক চোখের সামনে দিয়ে আমি কিছু না বলেই বাইরে চলে আসলাম। নীলা পিছন ফিরে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো।

নাফিসার রুমে ঢুকেই বললো, “কি রে, তোর পাজী, হতচ্ছাড়া ভাইকে দেখলাম মনে হলো!” কোনো রকমে না হেসে নাফিসা গম্ভীরভাবে বললো, “হ্যাঁ, আমার কাছে এসেছিলো একটা পরামর্শের জন্য। ওর মেডিকেলের জুনিয়র একটা মেয়ে গতকালকে ওকে ভালোবাসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ও হ্যাঁ বলবে, না কী, না বলবে, সে ব্যাপারে আমার মূল্যবান মতামত নিতে এসেছিলো।” নীলা ভুরু কুচকিয়ে কি যেনো বলতে গিয়ে থেমে গেলো। নাফিসার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললো, “চল, ছাদে গিয়ে বৃষ্টিতে ভিজি।”

দুই বান্ধবী মনের আনন্দে সেই ছোট্ট বেলার মতো বৃষ্টিতে ভিজতে লাগলো। এক সময় নাফিসা বলে ফেললো, “জানিস, আজ নিয়াজ, মামা আর আমি খালা হতে যাচ্ছি।”
-মানে?
-মানে, আজ আর একটু পরে নিয়াজের ছোট বোন রিদিতার সিজার হবে, বুঝেছেন নীলামনি?

নীলা আজকের দিনে দ্বিতীয় বারের মতো চমকে উঠলো। ও জানতো, নিয়াজ বলেছে, রিদিতা মা হতে যাচ্ছে। সেটা যে আজকেই হবে নীলা বুঝতে পারে নি, আসলে বোঝার কথাও না। নীলার আর বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে করছে না। নিয়াজের প্রতি গত দুইদিন ধরে জমে থাকা রাগটাও পানি হয়ে গেলো। খুব ইচ্ছে করছে নিয়াজের সাথে ফোনে কথা বলতে। কিন্তু নীলা কোনোভাবেই নাফিসার সামনে নিয়াজকে ফোন দিবে না। নাফিসাও বান্ধবীর মনের অবস্থা বুঝতে পেরে বললো,“চল, রুমে যাই, আরেকটু ভিজলে ঠাণ্ডা লাগবে।”

নীলা ওর ভিজা পোশাক খুলে নাফিসার একটা পোশাক পরলো। নাফিসা চা বানানোর কথা বলে রান্নাঘরে যাওয়া মাত্রই নীলা নিয়াজকে ফোন দিলো।
-কি খবর নিয়াজ? রিদিতার কি অবস্থা?

ফোনে নীলার উদ্বিগ্ন কন্ঠস্বর শুনে কেনো জানি না, আমার খুব ভালো লাগলো। আমার পরিবারের প্রতি ওর এই দরদের জন্যই ওকে আমি আরো বেশী পছন্দ করি। দুষ্টু কন্ঠে বললাম, “তুমি দুই মিনিট আগে মামী হয়েছো!” নীলা আমার কথা শুনে হেসে ফেললো। আরো কিছুক্ষণ নীলার সাথে কথা বলে এবং আগামীকালকে কোথায়, কখন দেখা করবো জেনে নিয়ে ফোন রেখে দিলাম।

আমার অসম্ভব আনন্দ লাগছে। আজ আমি মামা হয়েছি। মামা শব্দটার মধ্যেই একটা আলাদা ভাব আছে। আমি আবার নিয়মিতভাবে ব্লগিং করি। পিচ্চি বাবুর ছবি মোবাইলে তুলে নিয়েই হোস্টেলে চলে এলাম। দ্রুত ল্যাপটপ ওপেন করে নেটের কানেকশন দিয়ে ব্লগে ঢুকে লেখা শুরু করলাম আমার পিচ্চি ভাগনিকে নিয়ে। লেখা যখন প্রায় শেষ, নাফিসা আমাকে ফোন দিলো।
-হ্যলো, নিয়াজ, তুই কোথায়?

ফোনে ঠিকমতো নাফিসা কথাও বলতে পারছে না। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। নাফিসা আর নীলা, দুই বান্ধবী, জমিয়ে আড্ডা দেবার পর একটু আগে নীলা বললো রাত হয়ে যাচ্ছে, বাসায় যাবে। নাফিসার বাসার সামনে কোনো সিএনজি না পেয়ে রাস্তা অতিক্রম করে আরেক পাশে যাবার সময় দ্রুতগতিতে আসা এক বাসের ধাক্কায় নীলা ছিটকে পড়ে। পুরো ব্যাপারটাই ঘটে নাফিসার চোখের সামনে।

ফোনে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে নাফিসা নিয়াজকে বলতে থাকে, “নিয়াজ, নীলা আর নেই। একটু আগে রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছে!”

পরিশিষ্টঃ

“মামা, এই জন্যই তুমি তাহলে এই জীবনে আর বিয়ে করলে না! এতো ভালবাসতে আন্টিটাকে!” ওর কথা বলার ধরনে আমি ফিক করে হেসে দিলাম, বললাম,
-এই তো, তুই তাহলে বুঝতে পার লি।
-মামা, তুমি কী আমাকে এই আন্টির নামেই নীলা ডাকো?
একটু চুপ থেকে, একটা বড়ো দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম, “হ্যাঁ, তোকে আমি ওর নামেই ডাকি, নীলা!”

   চেইন অফ কমান্ড  
 -রেজাউর রহমান
                 এক
অফিসে বের হবো, এমন সময় মলি বললো, জানো, তুলি বৃত্তি পেয়েছে। শুনে আমি খুবই খুশি হলাম কিন্তু মণি মোটেই খুশি নয়। কারণ আমাদের মেয় রুনা বৃত্তি পায়নি।
এ জন্য আমাকে শতভাগ দায়ী করে ঝাঝালো কণ্ঠে বললো, আগেই বলেছিলাম, একজন হাউজ টিউটর রাখো।
আমিও কনো দ্বিধা না করে উত্তর দিলাম,তুলির তো কনো হাউজ টিউটর ছিল না।
আমার যুক্তির কাছে পরাজয় স্বীকার করে মলি চুপচাপ দাড়িয়ে রইলো।
আমি সব সময় আনন্দে থাকতে ভালবাসি, তুলিকে নিজের মেয়ে মনে করে গুন গুন করতে করতে বাসা থেকে বের হলাম। আমি নিশ্চিত, মলি এতোক্ষণে বিছানায় শুয়ে দুই চোখের পানিতে সদ্য কেনা বালিশের অর্ধেকটা ভিজিয়ে ফেলেছে।
বাসা থেকে বের হতেই ভাগ্যক্রমে  কাবিলের সাথে দেখা।
সে সালাম দিয়ে হাসি মুখে বললো, স্যার,আমার মেয়ে তুলি বৃত্তি পেয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ! খুবই আনন্দের সংবাদ। কিন্তু মিষ্টি কোথায়? দোয়া তো খালি মুখে হয় না। আগে মিষ্টি, তারপর দোয়া।

আমার কথা শুনে সে একটু লজ্জা পেল। হাসি মুখে বললো, মিষ্টি আজই পেয়ে যাবেন।
আমার মনে হলো এভাবে বলা ঠিক হয়নি।আমি কিছু বলার আগেই কাবিল দ্রুত চলে গেল।

                                           দুই

আমাদের বাসার পূর্ব দিকে টিনসেড বাড়িতে কাবিল বাস করে। প্রায় ছয় বছর আগে কাবিলের বাড়ির পাশে তিন তলা বাড়ির নিচ তলায় ভাড়াটিয়া হিসাবে আমাদের আগমন।কাবিল পেশায় চোর। এ তথ্যটি বাড়িওয়লা প্রথমে আমদের জানিয়ে দিলেন। তার সম্পর্কে অনেক গল্প শুনিয়ে আমাদের সতর্ক করে দিলেন।
আমার ছোট মেয়ে সকল সতর্ক বাণী অমান্য করে তুলির সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুললো। এই সূত্র ধরে তুলির মায়ের সাথে মলির একটা সুসম্পর্ক সৃষ্টি হলো। ধীরে ধীরে ওদের মধ্যকার সম্পর্কটা গভীর থেকে গভীরতর হতে লাগলো।
এটা বাড়িওয়ালা মোটেই ভালো মনে করলেন না। এ জন্য তিনি আমাকে ডেকে আবারও অনেক কথা শুনিয়ে দিলেন। কিন্তু আমি এসবের কিছুই মলিকে  বলার সাহস করলাম না।
সে যেখানে যায় সেখানেই গরিব আর বস্তির মানুষের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিন্তু এবারের বিষয়টা একেবারেই অসহ্য। চোরের বৌয়ের সাথে মাখামাখি! তার উপর বাড়িওয়ালার অপমান। এটা কনো ভদ্রলোক মানতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।
ইতিমধ্যে আমি বেশ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলাম। কিন্তু একদিনের ঘটনা আমার মনে দারুণ ভাবে আঘাত করলো। তারপর থেকে আমিও মলির মতো কাবিলের পুরো পরিবারের প্রতি দূর্বল হয়ে পড়লাম।

                                         তিন
সেদিন ছিল বুধবার। ব্যাংক থেকে বের হয়ে একটা অটোবাইকে চেপে বসলাম। কিছুদুর যেতেই একটা মেয়ে গাড়ি থামিয়ে আমার পাশে বসলো।
মেয়েটিকে মডার্ন বলেই মনে হলো। তবে আমি যে তাকে মোটেই গুরুত্ব দিচ্ছি না এটা বোঝানোর জন্য উল্টো দিকে মুখ করে বসে থাকলাম। রাস্তার বেহাল দশার কারণে মাঝে মেয়েটির কোমল দেহের স্পর্শে শরীর ও মনে এক ধরনের শিহরণ অনুভব করছিলাম। এ ধরনের একটি রাস্তা উপহার দেয়ার জন্য মনে মনে যোগাযোগ মন্ত্রীকে অশেষ ধন্যবাদ জানালাম। মন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করতে করতে নির্দিষ্ট গন্তব্যে এস পড়লাম।
গাড়ি থেকে নেমে শার্টের পকেট থেকে দশ টাকা ড্রাইভারের হাতে দিয়ে মেয়েটির দিকে একবার আড়চোখে তাকালাম। তারপর বাসার দিকে পা বাড়ালাম।
বাসায় এসে প্যান্টের পকেটে হাত দিলাম। এ কি! কোনো টাকা নেই।
চোখের সামনে ভেসে উঠলো শ্যামলা মেয়ের আনন্দময় মুখচ্ছবি। ট্রেন বা বাসে ভিড়ের মধ্যে পকেপমারের গল্প শুনেছি। অটোবাইকে আমার পাশে বসে প্যান্টের পকেট থেকে কিভাবে টাকা বের করলো তা আমার কল্পনায় এলো না।
ফেলে আসা রাস্তার মতো আমার চেহারার বেহাল দশা দেখে মলি বুঝতে পারলো কিছু একটা হয়েছে। শান্ত গলায় বললো, কি হয়েছে?
   বললাম, পকেটমার।

মুহূর্তের মধ্যে মলির সুন্দর মুখখানা মলিন হয়ে গেল।
আমার মাথার মধ্যে তখন নানান চিন্তা, বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল আর পুরো মাসের বাজার। কি করবো, কিছুই বুঝতে পাড়লাম না।
টেনশন থেকে বাচার জন্য আপাতত একটা কোসিয়াম ট্যাবলেট খেয়ে মুয়ে পড়লাম।
রাত দশটার সময় মলি খাওয়ার জন্য ডাকলো।
আমি কোনো রকমে একটা চেয়ার টেনে বসলাম।
মলি খাবার গুলো একেএক করে টেবিলে দিচ্ছিল। কিন্তু ওর মধ্যে কোনো ভাবান্তর দেখছিলাম না। ব্যাপার কি! ওর মধ্যে কোনো টেনশন নেই কেন? জিজ্ঞাসা করলাম, তোমার মনে কোনো দুশ্চিন্তা নেই, বিষয়টা কি?
মলি বললো, টাকা হারানোর বিষয়টা তুলির মাকে সব খুলে বলেছি। আমরা সম্ভবত টাকাগুলো পেয়ে যাবো।
বললাম, তুমি নিশ্চিত হচ্ছো কিভাবে?
মলি কোনো কথা না বলে আমার প্লেটে ভাত তুলে দিল। ভাবটা এমন যেন টাকা হাতে পেয়েই গেছে।
সকালে তুলির মা সত্যি সত্যিই টাকাগুলো দিয়ে গেল।
আমি গুনে দেখলাম, সব ঠিকঠাক।
চোরদের মধ্যে এমন চেইন অফ কমান্ড থাকে তা আমার জানা ছিল না।
আমি এক হাজার টাকা তুলির মাকে দিতে চাইলাম। কিন্তু সে কিছুতেই নিল না। এভাবে ওদের সাথে আমার সম্পর্কটা আরো গভীর হলো।


 

Hey viewers!!! More stories are waiting for you. Hold on your excitement and stay with us.....

HOME-COMPARATIVE THEOLOGY-DIALOGUE WITH A PRIEST-LIFE & PHILOSOPHY-STORY-POEM -HEALTH 
Powered by Create your own unique website with customizable templates.